চুয়েটে ড্রাগ ডেলিভারি ও জিনোম সিকোয়েন্সিং সেমিনার এবং আয়কর ও ই-রিটার্ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৯:৩৫  

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে “ড্রাগ ডেলিভারি এবং জিনোম সিকোয়েন্সিং” শীর্ষক সেমিনার এবং “আমার রিটার্ন অনলাইনে দিবো, সময় ও খরচ বাঁচাবো” শীর্ষক স্লোগানে “আয়কর ও ই-রিটার্ন বিষয়ক কর্মশালা” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে চুয়েট একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৩ এর কর কমিশনার মোঃ মঞ্জুর আলম ও অতিরিক্ত কর কমিশনার মোঃ শহীদুল ইসলাম।

চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. জি. এম. সাদিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন চুয়েট শিক্ষক সমিতির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ শাহজালাল মিশুক। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন চুয়েট শিক্ষক সমিতির প্রচার ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এবং পুর কৌশল বিভাগের প্রভাষক মো: আসিফুর রহমান।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উপ-কর কমিশনার মোঃ জোনায়েদ হোসেন।

এর আগের বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিানারে বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন ও ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইইই) বাংলাদেশ সেকশন এর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাশ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪র্থ ব্যাচের ছাত্র তাইসিরুল মুক্তাদি। অনুষ্ঠানের মূল বক্তা ছিলেন বুয়েটের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তারিক আরাফাত ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান।

উভয় অনুষ্ঠানেই প্রধান অতিথির ছিলেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, "বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অনেক গবেষণা ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু পুথিগত জ্ঞান দিয়ে বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকা যায় না, এই গতিশীল বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে নিজেকে সবদিক থেকে অসাধারণ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”

অপরদিকের কর্মশালায় বক্তব্যে আয়কর ও ই-রিটার্ন বিষয়ক অনেক দিক-নির্দেশনা পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে উপাচার্য বলেছেন যে কোন সেবা যতো বেশি সহজীকরণ করা যায়, তা ততো বেশি গ্রহণযোগ্যতা পায়। এতে সময় ও শ্রমের অপচয়ও কম হয়। ঘরে কিংবা অফিসে বসেই আয়কর জমা দিয়ে রিটার্ন দাখিল করার এই সুযোগ আমরাও গ্রহণ করতে পারি।